অর্থনীতি ও উন্নয়ন সর্ট সাজেশন | “ক বিভাগ”

আমাদের সর্ট সাজেশন পেতে +8801670-805850 হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন 🔥

অর্থনীতি ও উন্নয়ন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
বিষয় কোড: 212109

অর্থনীতি ও উন্নয়ন

[অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য এই অর্থনীতি ও উন্নয়ন সর্ট সাজেশন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে]

[বি.দ্র “ক বিভাগ” সর্ট সাজেশনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো দেওয়া হয়েছে.. “ক বিভাগ” থেকে কখনো হুবহু কমন আসে না , তাই প্রত্যেক অধ্যায়ের “ক বিভাগের” প্রশ্ন গুলো পড়ে যাবেন]

অধ্যায় 1

অর্থনীতির সংজ্ঞা ও পরিধি

 

1. অর্থনীতি বলতে কি বুঝ?

উত্তর: যে সামাজিক বিজ্ঞান মানুষের সাধারণ ও অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করে তাই অর্থনীতি।

2. অর্থনীতির জনক কে?

উত্তর: ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদ এ্যাডাম স্মিথ।

3. আধুনিক অর্থনীতির জনক কে?

উত্তর: পল এ. স্যামুয়েলসন।

4. অর্থনীতিকে ‘সম্পদের বিজ্ঞান’ বলেছেন কে?

উত্তর: এ্যাডাম স্মিথ।

5. LOC ব্যষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে?

উত্তর: অর্থনীতির যে অংশে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কার্যক্রম আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়, তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়।\

6. Economics শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?

উত্তর: Oikonoma শব্দ থেকে Economics শব্দের উৎপত্তি।

7.Micro এবং Macro শব্দ দুটি প্রথম কোন ব্যক্তি ব্যবহার করেন?

উত্তর: অধ্যাপক র‍্যাগনার নার্কস।

8. ‘Principles of Economics” গ্রন্থটি কার রচনা?

উত্তর: অধ্যাপক মার্শাল এর।

9. L.Robins এর বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম লিখ।

উত্তর: “”Nature and Significance of Economic Science” বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে।

10. কত সালে অধ্যাপক আলফ্রেড মার্শালের “Principles of Economics” গ্রন্থখানি প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ১৮৯০ সালে।

11. অর্থনীতির মৌলিক সমস্যা কয়টি ও কি কি?

উত্তর: ৩টি। যথা- কি কি উৎপাদন করতে হবে; কিভাবে উৎপাদন করতে হবে: কার জন্যে উৎপাদন করতে হবে।

12. পানির চেয়ে হীরার দাম কেন বেশি?

উত্তর: হীরা একটি দুষ্প্রাপ্য সম্পদ হওয়ায় এর মূল্য পানির তুলনায় বেশি।

13. সম্পদের দুষ্পাপ্যতা বলতে কি বুঝ? অথবা, দুষ্প্রাপ্যতা কি?

উত্তর: যখন ভোক্তার সকল অভাব মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায় না, তখন তাকে সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা বলা হয়।

14. সংগঠন কি?

উত্তর: কোন উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে একত্রিত করে এদের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং উৎপাদন কার্য পরিচালনাকে সংগঠন বলে।

15. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি কি?

উত্তর: যে অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি মালিকানা থাকে না এবং কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান বা সরকার তা নিয়ন্ত্রণ করে, সেটিকে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলা হয়।

16. ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ কী?

উত্তর: ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ এমন একটি সামাজিক, রাজনৈতিক ও দার্শনিক ধারণা, যেখানে ব্যক্তিগত কল্যাণকে সমষ্টিগত বা সাধারণ কল্যাণের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

17. ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা কি?

উত্তর: ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা বলে।

18. দ্রব্য কি?

উত্তর: মানুষের চাহিদা বা প্রয়োজন পূরণে সক্ষম বস্তুগত এবং অ-বস্তুগত যেকোনো কিছুকে দ্রব্য বলা হয়।

19. মানব সম্পদ কি?

উত্তর: দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনে সব ধরনের নিয়োজিত শ্রমকে মানবসম্পদ বলে।

20. সম্পদ কাকে বলে?

উত্তর: উপযোগ সমৃদ্ধ সীমাবদ্ধ যোগান বিশিষ্ট হস্তান্তরযোগ্য ও বাহ্যিকতা সম্পন্ন দ্রব্যসামগ্রী যা মানুষের প্রয়োজন পূরণে সক্ষম তাকেই অর্থনীতিতে সম্পদ বলা হয়।

21. বাজার অর্থনীতি বলতে কি বুঝ? অথবা, বাজার অর্থনীতি কি?

উত্তর: ক্রেতা বা বিক্রেতার নির্ভরতা ও অবাধ বিনিময় সম্পর্কের উপর প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতি বলে।

22. বাংলাদেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান?

উত্তর: বাংলাদেশে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।

23. বিভিন্ন ধরণের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা উল্লেখ কর।

উত্তর: বিভিন্ন ধরণের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা- ১. ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা; ২. সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা; ৩. মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং ৪. ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

24. মিশ্র অর্থনীতি/অর্থব্যবস্থা কি?

উত্তর: বাজার ব্যবস্থার সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অর্থনীতিকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।

25. অর্থনীতির প্রধান সমস্যা কি?

উত্তর: অসীম অভাব পূরণের উদ্দেশ্য দুষ্প্রাপ্য সম্পদের নিয়োগ বিন্যাসই অর্থনীতির প্রধান সমস্যা।

26. উপযোগ কাকে বলে?

উত্তর: মানুষের অভাব দূর করার যে ক্ষমতা কোনো দ্রব্যের মধ্যে থাকে, তাকে উপযোগ বলা হয়।

27. সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে?

উত্তর: যে শাখায় অর্থনীতির কোনো অর্থব্যবস্থার সামগ্রিক আচার-আচরণ বিশ্লেষণ করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে।

28. বাণিজ্য কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: বাণিজ্য প্রধানত দুই ধরনের হয়: (i) আভ্যন্তরীণ বাণিজ্য এবং (ii) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।

29. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কি?

উত্তর: যে বাণিজ্য কোনো দেশের সীমারেখা অতিক্রম না করে দেশের বিভিন্ন স্থানের মধ্যে সংগঠিত হয় তাকে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলে।

30. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কি?

উত্তর: সাধারণত যে বাণিজ্য কোনো দেশের সীমারেখা অতিক্রম করে এক বা একাধিক দেশের মধ্যে যে বাণিজ্য সংগঠিত হয় তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলে।

31. ভোগ কি?

উত্তর: কোনো দ্রব্য ব্যবহারের ফলে তার উপযোগ ক্ষমতা শেষ হয়ে যাওয়া সাধারণত ভোগ নামে পরিচিত।

32. অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কি বুঝায়?

উত্তর: অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কোনো দ্রব্যের নতুন উপযোগের সৃষ্টিকেই বুঝানো হয়।

অর্থনীতি ও উন্নয়ন প্রশ্নোত্তর

অধ্যায় 2

উপযোগ বিশ্লেষণ : চাহিদা ও যোগান, ভোক্তার উদ্বৃত্ত, উৎপাদনের উপকরণসমূহ এবং শ্রম বিভাগ

*উপযোগ বিশ্লেষণ*

33. মোট উপযোগ কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দ্রব্যের ভোগকৃত বিভিন্ন এককের মোট উপযোগকে ২.১১ মোট উপযোগ বলা হয়।

34. পর্যায়গত উপযোগ কাকে বলে?

উত্তর: যদি উপযোগকে ১ম, ২য় ও ৩য় এর মতো ক্রমানুসারে সংখ্যার মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়, তাকে পর্যায়গত উপযোগ বলা হয়।

35. প্রান্তিক উপযোগ ও দামের সম্পর্ক কিরূপ?

উত্তর: প্রান্তিক উপযোগ ও দামের মধ্যে যখন অসমতা থাকে, তখন ভোগ বা ক্রয়ের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।

36.গড় উপযোগ কাকে বলে?

উত্তর: মোট উপযোগকে মোট ভোগের পরিমাণ দিয়ে ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায়, তাকে গড় উপযোগ বলা হয়।

37. পরিমাণগত উপযোগ বিশ্লেষণের প্রবক্তা কে?

উত্তর: অধ্যাপক মার্শাল।

38. সমপ্রান্তিক উপযোগ বিধি কি?

উত্তর: যে বিধির সাহায্যে একজন ভোক্তা বিভিন্ন দ্রব্যের ক্রয়ের সময় তার সীমাবদ্ধ আয়ের সাহায্যে ক্রীত দ্রব্যসমূহের এককগুলো হতে প্রাপ্ত প্রান্তিক উপযোগের মধ্যে সমতা আনয়ন করে তাকে সমপ্রান্তিক উপযোগ বিধি বলে

 

*চাহিদা ও যোগান*

39. চাহিদার নির্ধারকগুলো কি কি?

উত্তর: চাহিদার নির্ধারকগুলো হলো — দ্রব্যের নিজস্ব মূল্য, ক্রেতার আয়, রুচি ও পছন্দ, অভ্যাস, সম্পর্কিত দ্রব্যের দাম, ঋতুর পরিবর্তন, ভবিষ্যতে দাম পরিবর্তনের সম্ভাবনা ইত্যাদি।

40. দামন্তরের সাথে অর্থের মূল্যের সম্পর্ক কিরূপ?

উত্তর: দামস্তরের সাথে অর্থের মূল্যের সম্পর্ক বিপরীত।

41. চাহিদা বিধি কি?

উত্তর: অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকলে, কোনো দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেলে তার চাহিদা হ্রাস পায় এবং দাম কমলে চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এই দাম ও চাহিদার বিপরীত সম্পর্ককে চাহিদা বিধি বলা হয়।

42. চাহিদা সূচি কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন দামে ক্রেতারা যে পরিমাণ দ্রব্য কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সেই তথ্যের তালিকাকে চাহিদা সূচি বলা হয়।

43. চাহিদা রেখা কি?

উত্তর : চাহিদা সূচির ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক প্রতিরূপকে চাহিদা রেখা বলা হয়।

45. চাহিদা হ্রাস পেলে চাহিদা রেখা বাম দিকে স্থানান্তরিত হয়।

উত্তর: বাম দিকে।

46. চাহিদা রেখা কেন ডানদিকে নিম্নগামী?

উত্তর: চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে।

47. যোগান রেখা সাধারণত কিরূপ হয়?

উত্তর: বাম থেকে ডান দিকে উর্ধ্বগামী।

48. মজুদ কি?

উত্তর: কোন দ্রব্যের বিক্রয়যোগ্য মোট পরিমাণকে মজুদ বলে।

49. যোগান সূচি কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিক্রেতারা বিভিন্ন মূল্যে একটি দ্রব্যের যে পরিমাণ বিক্রি করতে চায়, সেই তথ্যের তালিকাকে যোগানসূচি বলা হয়।

50. ভারসাম্য শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ কি?

উত্তর: Equilibrium

51. যোগান রেখা কী?

উত্তর: বিভিন্ন মূল্যে একটি দ্রব্যের যোগানের পরিমাণকে নির্দেশ করে যে রেখাটি আঁকা হয়, তাকে যোগান রেখা বলা হয়।

52. যোগান বিধি কাকে বলে? অথবা, যোগান বিধি কি?

উত্তর: সাধারণভাবে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে অন্যান্য সব কিছু অপরিবর্তিত থাকলে, দ্রব্যের দাম কমলে যোগানের পরিমাণ কমে যায় এবং দাম বাড়লে যোগান বৃদ্ধি পায়। এই দাম ও যোগানের মধ্যকার সম্পর্ককে বলা হয় যোগান বিধি।

53. চাহিদা কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর: তিন প্রকার। যথা- দাম চাহিদা, আয় চাহিদা এবং আড়াআড়ি চাহিদা

54. চাহিদা ও দামের মধ্যে কিরূপ সম্পর্ক বিদ্যমান?

উত্তর: বিপরীতমুখী।

55. মোটা কাপড়, মোটা চাল, ডাল, আলু ইত্যাদি কোন শ্রেণির দ্রব্য হিসেবে গণ্য করা হয়?

উত্তর: গিফেন দ্রব্য।

56. ধনাত্মক আড়াআড়ি স্থিতিস্থাপক দ্রব্যের উদাহরণ দাও।

উত্তর: চা ও কফি।

57. চা ও কফি কি ধরনের দ্রব্য?

উত্তর: পরিবর্তক দ্রব্য।

58.কালি ও কলম কি ধরনের দ্রব্য?

উত্তর: পরিপূরক দ্রব্য।

59. চিনি-গুড় কি ধরনের দ্রব্য?

উত্তর: পরিবর্তক দ্রব্য।

60. দ্রব্যের দাম বাড়লে যোগান কি হয়?

উত্তর: বাড়ে।

61. গিফেন দ্রব্যের চাহিদা রেখার আকৃতি কেমন?

উত্তর: গিফেন দ্রব্যের চাহিদা রেখা ডান দিকে উর্ধ্বগামী।

62. দাম ও যোগানের মধ্যে সম্পর্ক কি রকম?

উত্তর: প্রত্যক্ষ ও সমমুখী।

63. বাজার ভারসাম্য কোথায় নির্ধারিত হয়?

উত্তর: চাহিদা ও যোগান রেখার ছেদক বিন্দুতে।

64. অদৃশ্য হাত কি?

উত্তর: অদৃশ্য হাত বলতে সাধারণত কোনো রকম হস্তক্ষেপ ছাড়া চলমান মুক্তবাজার প্রক্রিয়াকেই বোঝানো হয়।

65. বাজার ভারসাম্যের শর্ত কী?

উত্তর: চাহিদা ও যোগান সমান হতে হবে।

66. বিভিন্ন প্রকার চাহিদাগুলো কি কি?

উত্তর: ক. দাম চাহিদা খ. আয় চাহিদা গ. আড়াআড়ি চাহিদা।

67. পরিবর্তক দ্রব্য কাকে বলে? অথবা, পরিবর্তক বা বিকল্প দ্রব্য কাকে বলে?

উত্তর: যদি দুটি দ্রব্যের মধ্যে এমন সম্পর্ক থাকে যে একটির পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়, তবে ওই দুটি দ্রব্যকে পরিবর্তক দ্রব্য বলা হয়। যেমন- চা ও কফি।

68. পরিপূরক দ্রব্য কি?

উত্তর: যদি কোনো দ্রব্যের ভোগ বাড়ানোর জন্য অন্য কোনো দ্রব্যের ভোগও বাড়াতে হয়, তবে এই দুই দ্রব্যকে পরিপূরক দ্রব্য বলা হয়।

69. চাহিদা রেখা বামদিক থেকে ডান দিকে নিম্নগামী হওয়ার মূল কারণ কি?

উত্তর: ক্রমহাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধির কার্যকারিতা।

70. চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা কি?

উত্তর: অন্যান্য সব অবস্থা অপরিবর্তিত রেখে, কোনো দ্রব্যের দামের পরিবর্তনের ফলে চাহিদায় যে পরিমাণ পরিবর্তন ঘটে, সেই পরিবর্তনের হারকে চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।

71. দামের সাথে চাহিদার সম্পর্ক কি ধরনের?

উত্তর: দামের সঙ্গে চাহিদার সম্পর্ক বিপরীতধর্মী বা ঋণাত্মক অর্থাৎ দাম বাড়লে চাহিদা কমে এবং দাম কমলে চাহিদা বাড়ে।

*ভোক্তার উদ্বৃত্ত*

72. ভোক্তার উদ্বৃত্ত তত্ত্বের মূল প্রবক্তা কে?

উত্তর: অধ্যাপক মার্শাল।

73. দামের সাথে চাহিদার কি ধরনের সম্পর্ক?

উত্তর: ঋণাত্মক সম্পর্ক।

74. প্রান্তিক উপযোগ কি?

উত্তর: কোনো দ্রব্যের অতিরিক্ত বা শেষ একক ব্যবহারে যে উপযোগ পাওয়া যায়, সেটাই প্রান্তিক উপযোগ।

75. অতি উৎকৃষ্ট পণ্য কী?

উত্তর: ভোক্তার আয় বেড়ে গেলেও যেসব দ্রব্যের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ কমে না, বরং বাড়ে, সেসব দ্রব্যকে উৎকৃষ্ট পণ্য বলা হয়।

76. নিকৃষ্ট দ্রব্য কাকে বলে?

উত্তর: ভোক্তার আয় বাড়লেও যেসব দ্রব্যের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ কমে যায়, সেগুলোকে নিকৃষ্ট দ্রব্য বলা হয়।

77. পরিবর্তক উপযোগ কি?

উত্তর: ভোক্তার চাহিদা বাড়ার সাথে যোগানে যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে পরিবর্তক যোগান বলা হয়।

78. গিফেন দ্রব্য কী বা গিফেন দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: গিফেন দ্রব্য হলো এমন একটি দ্রব্য যার দাম বাড়লে তার চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে চাহিদা হ্রাস পায়।

79. বিকল্প দ্রব্য কি?

উত্তর: নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কোনো একটি দ্রব্যের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করার সুযোগ থাকলে, সেই ধরনের দ্রব্যকে বিকল্প দ্রব্য বলা হয়।

80. কোন বাজারকে Price taker বলা হয়?

উত্তর: পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজারকে প্রাইস টেকার (Price Taker) বলা হয়, কারণ এই বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতারা পণ্যের দামে কোনো প্রভাব রাখতে পারে না; তারা বাজারে নির্ধারিত দামে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে বাধ্য থাকে।

81. মোট উপযোগ কি?

উত্তর: কোনো দ্রব্যের বিভিন্ন একক থেকে প্রাপ্ত উপযোগের মোট সমষ্টিকেই মোট উপযোগ বলা হয়।

82. মোট উপযোগ কিভাবে গণনা করা হয়?

উত্তর: প্রতিটি একক দ্রব্যের প্রাপ্ত উপযোগ যোগ করে।

83. যখন মোট উপযোগ সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে, তখন প্রান্তিক উপযোগের মান কী হয়?

উত্তর: শূন্য।

84. যখন প্রান্তিক উপযোগ শূন্যের সমান হয়, তখন মোট উপযোগের মান কেমন হয়?

উত্তর: মোট উপযোগের মান সর্বোচ্চ।

85. পরিমাণগত উপযোগের ধারণা অধ্যাপক মার্শাল কত সালে উপস্থাপন করেন?

উত্তর: ১৮৯০ সালে।

86. পর্যায়গত উপযোগ ধারণার প্রবক্তা কে?

উত্তর: জে. আর. হিকস, এ্যালেন প্রমুখ।

87. সম-প্রান্তিক উপযোগ বিধিটির প্রবক্তা কে?

উত্তর: অধ্যাপক মার্শাল।

88. নিরপেক্ষ রেখা কি?

উত্তর: নিরপেক্ষ রেখা এমন একটি রেখা যা দুটি ভিন্ন দ্রব্যের বিভিন্ন সংমিশ্রণকে উপস্থাপন করে, যেখানে প্রতিটি সংমিশ্রণ থেকেই ভোক্তা সমপরিমাণ মোট উপযোগ পান বলে বিবেচিত হয়।

89. নিরপেক্ষ মানচিত্র কি?

উত্তর: যখন দুই অক্ষবিশিষ্ট একই গ্রাফে একাধিক নিরপেক্ষ রেখা পাশাপাশি অবস্থান করে, তখন সেই চিত্রকে নিরপেক্ষ মানচিত্র বলা হয়।

90.MRS-দ্বারা কি বোঝায়?

উত্তর: MRS দ্বারা প্রান্তিক পরিবর্তনের হারকে বুঝায়।

92. MRS-এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: MRS-এর পূর্ণরূপ হলো Marginal Rate of Substitution, অর্থাৎ প্রান্তিক পরিবর্তনের হার।

 

*উৎপাদনের উপকরণ এবং শ্রম বিভাগ*

92. উৎপাদন কাকে বলে?

উত্তর: মানুষ তার মেধা ও শ্রম দিয়ে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন উপযোগ সৃষ্টি করে এবং যার বিনিময় মূল্য আছে তাকে উৎপাদন বলা হয়।

93. মোট উৎপাদন কি?

উত্তর: নির্দিষ্ট পরিমাণ উপকরণের মাধ্যমে একটি ফার্ম কর্তৃক উৎপাদিত দ্রব্যের বা সেবার মোট পরিমাণকে মোট উৎপাদন বলে।

94. গড় উৎপাদন কি?

উত্তর: মোট উৎপাদনের পরিমাণকে সম্পর্কিত পরিবর্তনীয় উপকরণের পরিমাণ দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাই হলো গড় উৎপাদন।

95. MRP এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: MRP এর পূর্ণরূপ হলো- Marginal Revenue Product.

96. উৎপাদনের পর্যায় কয়টি ও কি কি?

উত্তর: তিনটি। যথা- প্রথম পর্যায়, দ্বিতীয় পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়।

97. MRTS এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: MRTS এর পূর্ণরূপ হলো- Marginal rate of technical substitution.

98. MRTS কি?

উত্তর: দুটি উপকরণের মধ্যে একটি উপকরণের ব্যবহার এক একক বাড়ালে অন্য উপকরণের কমানোর পরিমাণের অনুপাতকে MRTS (Marginal Rate of Technical Substitution) বলা হয়।

99. একটি দীর্ঘকালীন উৎপাদন অপেক্ষক লিখ।

উত্তর: Q = f(L, Lb, K, 0).

100. MRTS কি নির্দেশ করে?

উত্তর: সম-উৎপাদন রেখার ঢাল নির্দেশ করে।

101. সমবায় রেখা কাকে বলে?

উত্তর: একই ব্যয়ে উৎপাদক বিভিন্ন উপকরণের সংমিশ্রণ কিনতে পারলে, সেই সব সংমিশ্রণের অবস্থান নির্দেশকারী রেখাটিকে সমব্যয় রেখা বলা হয়।

102. মাত্রাগত উৎপাদন কাকে বলে?

উত্তর: অন্য সকল বিষয় অপরিবর্তিত রেখে উপকরণের ব্যবহারে পরিবর্তন করলে উৎপাদনের পরিমাণে যে পরিবর্তন হয়, তাকে মাত্রাগত উৎপাদন বলা হয়।

103. সুযোগ ব্যয় কি?

উত্তর: কোন একটি দ্রব্য উৎপাদনের জন্য অন্য যে বিকল্প দ্রব্যের উৎপাদন ত্যাগ করতে হয় তাই হলো দ্রব্যটির সুযোগ ব্যয়।

অধ্যায় 3

অর্থ বা মুদ্রা

104. অর্থ বা মুদ্রার সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: যে বস্তু বিনিময়ের মাধ্যম এবং দেনাপাওনা মেটানোর উপায় হিসাবে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য এবং যা মূল্যের পরিমাপক ও সঞ্চয়ের বাহন হিসাবে কাজ করে তাকেই অর্থ বা মুদ্রা বলা হয়।

106. প্রায় মুদ্রা (Near Money) কি?

উত্তর: যেসব সম্পদ সরাসরি লেনদেনে ব্যবহার করা যায় না, কিন্তু প্রয়োজনমতো সহজেই নগদ অর্থে রূপান্তর করা সম্ভব, সেগুলোকে প্রায় মুদ্রা বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ—ট্রেজারি বিল, চাহিদা আমানত, প্রাইজবন্ড, সরকারি বন্ড ইত্যাদি।

108. দুটি প্রায় মুদ্রার নাম লিখ।

উত্তর: দুটি প্রায় মুদ্রার নাম হলো- ১. ট্রেজারি বিল চাহিদা আমানত ও ২. প্রাইজ বণ্ড, সরকারি বন্ড ইত্যাদি।

109. শক্তিশালী মুদ্রা কাকে বলে?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট প্রচলিত মুদ্রা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অন্যান্য ব্যাংকের রাখা রিজার্ভের সমষ্টিকে শক্তিশালী মুদ্রা বা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন মুদ্রা বলা হয়।

110. অর্থের চাহিদা বলতে কি বুঝ?

উত্তর: মানুষ বিনিময়ের মাধ্যম এবং অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য যে পরিমাণ নগদ অর্থ রাখতে চায়, তাকে অর্থের চাহিদা বলা হয়

111. সংকীর্ণ অর্থ/মুদ্রা কি?

উত্তর: জনগণের হাতে থাকা নগদ অর্থ ও ব্যাংকে রাখা চাহিদা আমানতের মোট যোগফলকে সংকীর্ণ অর্থ বা সংকীর্ণ মুদ্রা বলা হয়।

112. বিস্তৃত অর্থ বলতে কি বুঝ?

উত্তর: সংকীর্ণ অর্থের সঙ্গে ব্যাংকের মেয়াদি আমানতের যোগফলকে বিস্তৃত অর্থ বলা হয়।

113. অর্থের প্রচলন গতি কি ?

উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের হাত বদলের গতিকেই অর্থের প্রচলন গতি বলা হয়।

114. অর্থের মূল্য বলতে কি বোঝ?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়ে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা কেনা যায়, তাকে অর্থের মূল্য বা অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বলা হয়।

115. দামন্তরের সাথে অর্থের মূল্যের সম্পর্ক কিরূপ?

উত্তর: দামস্তরের সাথে অর্থের মূল্যের সম্পর্ক বিপরীত

117.ফিশারের সমীকরণটি লিখ।

উত্তর: ফিশারের সমীকরণ নিম্নোক্তভাবে প্রকাশ করা যায়, MV = PT যেখানে, M= অর্থের পরিমাণ, V = অর্থের প্রচলন গতি, P = দামস্তর, T = লেনদেনযোগ্য দ্রব্য ও সেবার পরিমাণ।

118. মুদ্রা সংকোচন কি?

উত্তর: দামস্তর ক্রমাগত হ্রাস পাবার প্রবণতাকে মুদ্রাসংকোচন বলে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতির বিপরীত অবস্থা হলো মুদ্রাসংকোচন। মুদ্রাসংকোচনের ক্ষেত্রে দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাসমূহের উৎপাদন ও যোগানের তুলনায় সামগ্রিক চাহিদা কম হয়, সে অবস্থায় দামস্তর কমে ও অর্থের মূল্য বাড়ে।

119. বিহিত মুদ্রা কি?

উত্তর: যে মুদ্রা সরকারি আইন দ্বারা স্বীকৃত এবং লেনদেনের মাধ্যমে হিসাব গ্রহন করতে সবাই আইনত বাধ্য থাকে তাকে বিহিত মুদ্রা বলে।

120. মুদ্রা সংকোচন দূর করার দুটি উপায় লিখ।

উত্তর: ১। সরকারি ব্যয়ের বৃদ্ধি; ২। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের হার হ্রাস।

121. ব্যাংকিং কী?

উত্তর: ব্যাংকের কার্যাবলীকে ব্যাংকিং বলে।

122. ব্যাংক ঋণ কি?

উত্তর: একটি ব্যাংক যখন কোনো মক্কেলকে শর্তসাপেক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, তাকে ব্যাংকের ঋণ বলা হয়।

123. বেসরকারি ব্যাংক কাকে বলে?

উত্তর: যেসব ব্যাংক ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে, সেগুলোকে বেসরকারি ব্যাংক বলা হয়।

124.সমবায় ব্যাংক কি?

উত্তর: দেশের প্রচলিত সমবায় আইন ও ব্যাংকিং আইনের অধীনে গঠিত, নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত ব্যাংকগুলোকে সমবায় ব্যাংক বলা হয়।

125.রাষ্ট্রীয় মালিকানা ব্যাংক কি?

উত্তর: যে ব্যাংকের মালিকানা সরকারকে এবং পরিচালনা সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাকে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংক বলা হয়।

126. একক ব্যাংকিং কি?

উত্তর: যে ব্যাংক শুধুমাত্র একটি শাখার মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকা বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে, তাকে একক ব্যাংকিং বলা হয়।

127. শাখা ব্যাংকিং কি?

উত্তর: একটি প্রধান শাখার অধীনে বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকে শাখা ব্যাংকিং ব্যবস্থা বলা হয়।

128. চেইন ব্যাংকিং কি?

উত্তর: পারস্পরিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করে ব্যাংকগুলো একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করাকে চেইন ব্যাংকিং বলা হয়।

129. বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে?

উত্তর: স্বল্প মেয়াদী ঋণের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংককে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলা হয়।

130. শিল্প ব্যাংক কি?

উত্তর: কোনো দেশের শিল্প উন্নয়নের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে যে ব্যাংক গঠিত হয়, তাকে শিল্প ব্যাংক বলা হয়।

131.আন্তর্জাতিক ব্যাংক কি?

উত্তর: সম্মিলিত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যেসব ব্যাংক উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে, সেগুলোকে আন্তর্জাতিক ব্যাংক বলা হয়।

132. গ্রামীণ ব্যাংক কি?

উত্তর: গ্রাম প্রধান দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যে এবং তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির উদ্দেশ্যে যেব্যাংক কাজ করে থাকে তাকে গ্রামীণ ব্যাংক বলে।

133. গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হলো ড. মোহাম্মদ ইউনুস।

134. মিশ্র ব্যাংক কি?

উত্তর: যে ব্যাংকগুলো বাণিজ্যিক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক উভয়ের কার্যক্রম সম্পাদন করে, সেগুলোকে মিশ্র ব্যাংক বলা হয়।

135.জমাতিরিক্ত ঋণ কি?

উত্তর: কোন গ্রাহক যখন তার চলতি হিসাবে জমাকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষ্যে উত্তোলনের সুযোগ পায় তাকে জমাতিরিক্ত ঋণ বলে।

136.ATM এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: Automated Taller Machine,  ATM এর পূর্ণরূপ

137. যৌথ কোম্পানী ব্যাংক কি?

উত্তর: কোম্পানী আইন ও ব্যাংকিং আইন অনুসারে গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকগুলোকে যৌথ কোম্পানি ব্যাংক বলা হয়।

138. অংশীদারী ব্যাংক কি?

উত্তর: অংশীদারী আইন ও ব্যাংকিং আইন অনুযায়ী গঠিত ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে অংশীদারী ব্যাংক বলা হয়।

139. কৃষি ব্যাংক কি?

উত্তর: কৃষকদের প্রয়োজনীয় আর্থিক ঋণ সুবিধা ও কৃষি খাতের উন্নয়নে সুবিধা ও পরামর্শের জন্য যে ব্যাংক গঠন করা হয় তাকে কৃষি ব্যাংক বলে।

অধ্যায় 4

জাতীয় আয়

140. জাতীয় আয় কাকে বলে?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) একটি দেশের সকল জনগণ তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম ও মূলধন ব্যবহার করে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্ম উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে জাতীয় আয় বলে।

141. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) কাকে বলে?

উত্তর: কোন নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক আর্থিক বছরে) যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার বাজার মূল্যের সমস্টিকে বলা হয় মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)।

142. GNP-এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: GNP বলতে বুঝানো হয় মোট জাতীয় উৎপাদন, যার পূর্ণরূপ হলো Gross National Product।

143. NNP কি? অথবা, NNP-এর পূর্ণরূপ কি?

উত্তর: NNP-এর পূর্ণরূপ হলো- Net National Product অর্থাৎ নীট জাতীয় উৎপাদন।

144. NNP এর সূত্রটি লিখ

উত্তর: NNP = GNP – CCA.

145. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে দেশি ও বিদেশী নাগরিকগণ যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাকর্ম ৪ উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলে।

146. MDG কী?

উত্তর: বিভিন্ন দেশের চরম দারিদ্র্যের মাত্রা বিবেচনা করে চারটি সূচকের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দারিদ্র্য হ্রাসের বৈশ্বিক লক্ষ্যকে MDG বলা হয়।

147. MDG কী?

উত্তর: Millenium Development Goals.

148. ব্যক্তিগত আয় (PI) কাকে বলে?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (সাধারণত এক বছর) একটি দেশের সব পরিবার ও নাগরিকের মোট আয়কে ব্যক্তিগত আয় বলা হয়।

149. ব্যয়যোগ্য আয় (DI) কাকে বলে?

উত্তর: ব্যক্তিগত আয় থেকে কর ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাকে ব্যয়যোগ্য আয় বলা হয়।

150. GNP কি? অথবা, বাস্তব GNP কাকে বলে?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) দেশের সকল উপকরণসমূহ উৎপাদন কার্যে নিয়োজিত থেকে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে বলা হয় বাস্তব GNP।

151. লুক্কায়িত GNP কি?

উত্তর: GNP হিসাবের সময় সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক পণ্য ও সেবার মূল্য গণনা থেকে বাদ পড়ে, এই বাদ পড়া দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যকে লুক্কায়িত GNP বলা হয়।

152. কি কারণে GDP ও GNP ভিন্ন হয়?

উত্তর: রপ্তানি (Export) ও আমদানির (Import) মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি হলে GNP ও GDP একরকম থাকে না। অর্থাৎ, যখন X < M বা X > M হয়, তখন GDP ও GNP ভিন্ন হয়।

153. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP) কি?

উত্তর: মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনী যন্ত্রপাতির ক্ষয়ক্ষতিজনিত খরচ বা অবচয় ব্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)।

154. GNP Deflator (ডিফ্রেটর) কি?

উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য সেই বছরের আর্থিক GNP-কে (মুদ্রাস্ফীতিমূলক) প্রকৃত GNP (মুদ্রাস্ফীতিমুক্ত) দ্বারা ভাগ করলে যে সূচক পাওয়া যায়, তাকে GNP Deflator বলা হয়। এটি একটি মূল্যসূচক, যা মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পরিমাপে সহায়ক।

155. দ্বৈত গণনা সমস্যা কি?

উত্তর: জাতীয় আয় গণনার সময় একই দ্রব্য একবারের বেশি গণনায় অন্তর্ভুক্ত হলে, হিসাবগত জাতীয় আয় প্রকৃত জাতীয় আয় থেকে অনেক বেশি হয়ে যাবে। এই সমস্যাটিকে জাতীয় আয়ের দ্বৈত গণনা বলা হয়।

156. GNP ব্যবধান কি?

উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট বছরে একটি দেশের প্রত্যাশিত GNP এবং বাস্তব GNP-এর মধ্যে যে পার্থক্য থাকে, তাকে GNP ব্যবধান বলা হয়।

157. হস্তান্তর পাওনা কাকে বলে?

উত্তর: যে পাওনা হাত বদলের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়, তাকে হস্তান্তরযোগ্য পাওনা বলা হয়।

158. সরকারের হস্তান্তর ব্যয়ের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও ভাতা ইত্যাদিকে হস্তান্তর ব্যয়ের একটি উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।

159. জাতীয় আয় পরিমাপের মধ্যবর্তী দ্রব্যের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: যেসব দ্রব্য সরাসরি ভোগের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে চূড়ান্ত পণ্যের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে মধ্যবর্তী দ্রব্য বলা হয়।

160. ব্যক্তিগত আয় হতে ব্যয়যোগ্য আয় কিভাবে নির্ণয় করা হয়?

উত্তর: ব্যক্তিগত আয় হতে প্রত্যক্ষ কর ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক ব্যয় বাদ দিলে ব্যয়যোগ্য আয় পাওয়া যায়।

অধ্যায় 5

শ্রম ও উৎপাদনশীলতা

161. শ্রম কি?

উত্তর: যে কোনো উৎপাদন কার্যক্রমে নিয়োজিত মানুষের শারীরিক (কায়িক) ও মানসিক পরিশ্রমকে শ্রম বলা হয়।

162. শ্রমের চাহিদা আপেক্ষকটি লিখ।

উত্তর: DL = f(W) যেখানে DL = শ্রমের চাহিদা DLdw = f(W) Lo.

163. শ্রমের চাহিদা রেখা কি?

উত্তর: যে রেখার প্রতিটি বিন্দুতে বিভিন্ন মজুরির হার অনুযায়ী শ্রমের চাহিদার পরিমাণ প্রদর্শিত হয়, তাকে শ্রমের চাহিদা রেখা (Demand Curve for Labour) বলা হয়।

164. শ্রমের যোগান কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মজুরি হারে শ্রমিকদের দ্বারা সরবরাহিত শ্রমের পরিমাণকে শ্রমের যোগান (Supply of Labour) বলা হয়।

165. শ্রম বিভাগ কাকে বলে?

উত্তর: উৎপাদন প্রক্রিয়াকে একাধিক ধাপে ভাগ করে, শ্রমিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেককে নির্দিষ্ট কাজে নিয়োজিত করাকেই শ্রমবিভাগ (Division of Labour) বলা হয়।

166. মজুরি কি?

উত্তর : উৎপাদন কার্যে নিযুক্ত শ্রমিক তার শারীরিক ও মানসি শ্রমের বিনিময়ে যে পারিশ্রমিক পায় তাকে মজুরি বলে।

167. প্রকৃত মজুরি কিভাবে নির্ণয় করা যায়?

উত্তর: শ্রমিকের প্রান্তিক উৎপাদনশীলতার মাধ্যমে।

168. শ্রমিক সংঘ কি?

উত্তর: শ্রমিকগণ নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠন করে তাকে শ্রমিক সংঘ বলে।

169. মুদ্রাস্ফীতি কি?

উত্তর: সাধারণভাবে, যখন কোনো দেশে তুলনামূলকভাবে অল্প পরিমাণ দ্রব্য বা সেবার বিপরীতে অধিক পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয় বা অর্থের সরবরাহ দ্রব্যের সরবরাহকে অতিক্রম করে, তখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাকে মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) বলা হয়।

170. মুদ্রা সংকোচন কি?

উত্তর: সাধারণত কোনো দেশে যখন তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণ অর্থ বেশি পরিমাণ দ্রব্য বা সেবার পেছনে ব্যয় হয় অর্থাৎ বাজারে অর্থের সরবরাহ দ্রব্যের সরবরাহের তুলনায় কম থাকে, তখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাকে মুদ্রা সংকোচন (Deflation) বলা হয়।

171. নিয়োগ বা কর্মসংস্থান কি?

উত্তর: সাধারণত চলতি মজুরিতে কোন ব্যক্তির কাজ করার বা পাওয়াকে নিয়োগ বলা হয়।

172. পূর্ণ নিয়োগ বলতে কি বুঝ?

উত্তর: সাধারণত, বর্তমান বাজারের মজুরি হারে যদি সংঘাতমূলক (frictional) বেকারত্ব ছাড়া আর কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কর্মহীন না থাকে, তখন সেই পরিস্থিতিকে পূর্ণ নিয়োগ (Full Employment) বলা হয়।

173. বেকারত্ব কাকে বলে?

উত্তর: সাধারণত, বর্তমান মজুরি হারে কোনো ব্যক্তি যদি কাজ করার ইচ্ছা ও সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কাজ না পান, তবে সেই অবস্থাকে বেকারত্ব (Unemployment) বলা হয়।

174. ছদ্মবেশী বেকারত্ব কি? অথবা, প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব কি?

উত্তর: কোন শ্রমক্ষেত্রে কোন শ্রমিকের বা যে শ্রমিকের প্রান্তিক উৎপাদন শুন্য তাকে ছদ্মবেশী বেকার বা বেকারত্ব বলা হয়।

175. নাইরু কি?

উত্তর: NAIRU হলো- স্বাভাবিক বেকারত্বের হার।

অধ্যায়-৬

কল্যাণ অর্থনীতি

176. কল্যাণমূলক অর্থনীতি কি?

উত্তর: সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ বিবেচনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবস্থা ও নীতির ভালো-মন্দ বিচার যেই অর্থনৈতিক শাখায় করা হয়, তাকে কল্যাণমূলক অর্থনীতি (Welfare Economics) বলা হয়।

177. বাহ্যিকতা বলতে কি বুঝ?

উত্তর: বাহ্যিকতা কল্যাণমূলক অর্থনীতির একটি ধারণা। বাহ্যিকতা বলতে উৎপাদন ও ভোগক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুবিধা ও অসুবিধা বোঝায়।

178. প্যারোটো কাম্যতা কি?

উত্তর: প্যারোটোর মতে সামাজিক কাম্যতা এমন একটি অবস্থা যেখানে উপাদান উৎপাদনের পুনর্বণ্টন দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে অপর ব্যক্তিদের কল্যাণ বৃদ্ধি করা যায় না।

179. প্যারোটো কাম্যতার প্রবক্তা V. Pareto কোন দেশের অর্থনীতিবিদ।

উত্তর: ইটালীর অর্থনীতিবিদ।

180. দ্বিতীয় সর্বোত্তম তত্ত্বটি কোন শিরোনামে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: “The General Theory of the Second Belt” শীর্ষক গ্রন্থে এই তত্ত্বটি প্রকাশিত হয়েছে।

181. সমাজকল্যাণ অপেক্ষক কি?

উত্তর: সমাজ কল্যাণের পর্যায়গত সূচক হলো সমাজকল্যাণ অপেক্ষক।

182. গণদ্রব্য কি?

উত্তর: যেসব দ্রব্যের ভোগ থেকে কাউকে বঞ্চিত করা সম্ভব না, সেগুলোকে গণ দ্রব্য বলা হয়।

183. কোনো পুস্তকে এ্যারো অসম্ভাব্যতা তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়?

উত্তর: “Social Choice and Individual Values” নামক পুস্তকটি সমাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তির মূল্যায়নের তত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে।

184. এ্যারো এর অসম্ভাব্যতা তত্ত্ব কি?

উত্তর: এ্যারো এর মতে সকল শর্তপূরণ করে সমাজকল্যাণ অপেক্ষক নির্ণয় দুরুহ যা অর্থনীতিতে অসম্ভাব্যতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।

185. এ্যারো এর মতে কয়টি শর্তপূরণ বলে সমাজকল্যাণ অপেক্ষক পাওয়া যায়?

উত্তর: পাঁচটি।

186. একচেটিয়া কারবারে অর্জিত হয় না।

উত্তর: প্যারোটো কাম্যতা।

187. আধুনিককালে সকল রাষ্ট্রই মূলত রাষ্ট্র।

উত্তর: কল্যাণমূলক।

অধ্যায়-৭

বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ

188. অর্থনৈতিক উন্নয়ন কি?

উত্তর: সাধারণভাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সামগ্রিক উন্নতি বোঝায়।

189. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কি?

উত্তর: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে কোন দেশের জাতীয় উৎপাদন ও মাথাপিছু আয়ের প্রকৃত চলমান বৃদ্ধিকে বোঝায়।

190. অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত কি?

উত্তর: অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক বিভিন্ন উপাদানগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত বলা হয়।

191. অনুন্নত দেশসমূহের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?

উত্তর: অনুন্নত দেশসমূহের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দারিদ্র্যতা।

192. শিল্প কি? অথবা, শিল্প কাকে বলে?

উত্তর: একটি পণ্য উৎপাদনে যতগুলো ফার্ম বা প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত থাকে তাদের সবগুলোর সমষ্টি হলো শিল্প।

193. কৃষি কাকে বলে?

উত্তর: যে প্রক্রিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ জমি চাষ করে ফসল উৎপাদন করে তাকে কৃষি বলে।

194. বাংলাদেশের কৃষির প্রধান চারটি উপখাতের নাম লিখ।

উত্তর: কৃষির চারটি উপখাত হল- (i) শস্য উপখাত, (ii) বনজ সম্পদ উপখাত, (iii) পশু সম্পদ উপখাত ও (vi) মৎস্য সম্পদ উপখাত।

195. বৈদেশিক সাহায্য কি?

উত্তর: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থা থেকে প্রাপ্ত ঋণ ও অনুদানকে বৈদেশিক সাহায্য বা বৈদেশিক মূলধন বলা হয়।

196. উন্নত দেশ কাকে বলে?

উত্তর: যেসব দেশে অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে, সেসব দেশকে উন্নত দেশ বলা হয়।

197. অনুন্নত দেশ কাকে বলে?

 উত্তর: যেসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম, জীবনযাত্রার মান খুব নিচু, এবং অধিকাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে, সেসব দেশকে অনুন্নত দেশ বলা হয়।

198. উন্নয়নশীল দেশ কাকে বলে?

উত্তর: যেসব দেশে কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং ক্রমশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সেসব দেশকে উন্নয়নশীল দেশ বলে।

199. স্বল্পোন্নত দেশ বলতে কী বুঝ?

উত্তর: যেসব দেশ কিছু পরিমাণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে এবং অনুন্নত দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত উন্নত অবস্থানে আছে, তাদের স্বল্পোন্নত দেশ বলা হয়।

200. শিল্পায়নের প্রধান উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: শিল্পায়নের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সস্তায় বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন এবং বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

201. মাঝারি শিল্প কাকে বলে?

উত্তর: বাংলাদেশের শিল্প আইন অনুযায়ী, শ্রমিকসংখ্যা ২০ থেকে ২৩০ জনের মধ্যে থাকা কারখানাকে মাঝারি শিল্প বলা হয়।

202. কুটির শিল্প কাকে বলে? অথবা, ক্ষুদ্রায়তন ও কুটির শিল্প বলতে কি বুঝ?

উত্তর: বাংলাদেশের শিল্প আইন অনুযায়ী যে কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা ২০ জন তাকে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প বলে।

203. বিনিয়োগ কী?

উত্তর: নতুন যন্ত্রপাতি কেনা, নির্মাণ কাজে প্রয়োজনীয় খরচ এবং অতিরিক্ত মজুত সংগ্রহ ইত্যাদি বিনিয়োগের অন্তর্ভুক্ত।

204. লেনদেন ভারসাম্য কি?

উত্তর: একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বৎসরে একটি দেশের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান পণ্য সামগ্রির আমদানি ক্ষয় রপ্তানি আয়ের হিসাবকে লেনদেন ভারসাম্য বলে।

204. বৈদেশিক বিনিয়োগ কী?

উত্তর: কোনো দ্রব্য সেবার উৎপাদন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দ্বারা নির্ধারিত হলে তাকে বৈদেশিক বিনিয়োগ বলে।

205. বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ কম হবার তিনটি কারণ লিখ?

উত্তর: তিনটি কারণ হলো-

(ক) রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা,

(খ) দুর্নীতি এবং

(গ) জ্বালানী ও বিদ্যুৎ-এর অভাব।

206. বাংলাদেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানোর করার তিনটি উপায় লিখ।

উত্তর: বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানোর তিনটি উপায় হলো—

(ক) রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন,

(খ) দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূরীকরণ এবং

(গ) জ্বালানী ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা।

[বি.দ্র-“ক-বিভাগের প্রশ্ন কথনো হুবুহু কমন আসেনা, উপরিউক্ত প্রশ্নগুলা শুধুমাত্র অনুশীলনের অন্য দেয়া হলো। এর সাথে বোর্ড ১৬-২৩ পর্যন্ত গড়লে ৮০-৯০% কমন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে]
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ইতিহাস সাজেশন পেতে এখানে ক্লিক করুন
পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা বিষয়ে সাজেশন পেতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *